পুরানে কি বলে – মহিলাদের কেন রজঃস্রাব হয়

lead image

আমাদের পুরানে অনেক গল্পে আছে এবং তার মধ্যে অনেক গল্প প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া গুলির ব্যাপারে।

সেরকমই বেশ কিছু গল্প এই ব্যাপারেও রয়েছে যে মহিলাদের কেন মাসিক রজঃস্রাব হয়। তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়টি জানায় যে এর কারন এক অভিশাপ যা মহিলারা পায় ইন্দ্র দেবের এক ভুলের পরিনামে।

মহিলাদের কেন রজঃস্রাব হয়

সব গল্পের মতই এতেও রয়েছে এক অভিশাপ এবং ইন্দ্র দেবের বোকামি।

একবার দেব গুরু ব্রিহাস্পতি ইন্দ্রের ওপর খুব রেগে জান, এবং তাদের ঝগড়ার সুযোগ নিয়ে অসুররা দেবলোক আক্রমণ করে। তার স্বর্গপুরী অধিকৃত হওয়া মাত্র ইন্দ্র পালিয়ে যান।

ইন্দ্র ভাবেন ব্রহ্মা কে জিজ্ঞাসা করেবেন বৃহস্পতিকে খুশী করার এবং তার স্বর্গপুরী ফিরে পাবার উপায়। ব্রহ্মা বলেন ইন্দ্রকে এক সাধু কে খুশী করতে হবে, তার সেবায় যদি সে সাধু খুশি হয় তবে সে তার স্বর্গ রাজ্য ফিরে পাবে।

ব্রহ্মার অনুদেশ মত, ইন্দ্র সেই সাধুর সেবা করতে শুরু করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেই সাধুর মা ছিল এক অসুর এবং সেই সুত্রে সাধুও অসুরদের প্রিয় ছিল।

ইন্দ্র জানতে পারেন তার দেওয়া প্রসাদ সাধু দেবতাদের না দিয়ে অসুরদের দিয়ে দিচ্ছে। রেগে ইন্দ্র সেই সাধুকে মেরে ফেলেন।

ইন্দ্র বুঝতে পারেন না যে তিনি, এক ব্রাহ্মনের হত্যা করে আরও বড় পাপ করলেন। ইন্দ্র ভয়ে এক ফুলের ভেতর এল বছর লুকিয়ে থাকলেন এবং সমানে বিষ্ণুর আরাধনা করতে থাকেন।

src=https://www.theindusparent.com/wp content/uploads/2017/08/shutterstock 124237597.jpg পুরানে কি বলে – মহিলাদের কেন রজঃস্রাব হয়

এক বছরের আরাধনার পর, বিষ্ণু বলেন যে ইন্দ্র কে তিনি বাঁচাবেন কিন্তু তার এই পাপের ভার তাকে গাছপালা, পৃথিবী, জল, এবং নারীদের কে ভাগ করে দিতে হবে। তাকে সবাই কে অভিশাপ দিতে হবে এবং একটা করতে বরদান ও।

১। এক চতুর্থ শাপ গাছেদের দেওয়া হয় এবং তার বদলে তাদের এই বর দেওয়া হয় যে তাড়া নিজের ইচ্ছেমত বাড়তে পারবে।

২। এক চতুর্থ শাপ জলকে দেওয়া হয় এবং তার বদলে তাকে বর দেওয়া হয় যে সে সকল জীব জন্তুকে পবিত্র করে তুলবে। তাই হিন্দুরা জল কে পবিত্র মনে করে।

৩। এক চতুর্থ পৃথিবীকে দেওয়া হয়, এব তার বর এই যে সে সব কিছু কে আরোগ্য করতে পারবে।

৪। শেষ ভাগ টা নারিদের দেওয়া হয়, যা তাড়া পায় মাসিক রজঃস্রাব হিসেবে এবং তার বদলে তাড়া এই বর পায় যে তাড়া নিজেদের মধ্যে নতুন জীবন ধারন করতে পারবে এবং এই ভাবে তাড়া হবে পুরুষদের চেয়ে শ্রেয়।