জঘন্য! টুইংকেল খান্না কর্মক্ষেত্রে নির্যাতিত

কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন এক সত্য তা সবাই নাই বা মানুক। বহু মহিলা এ সহ্য করে এবং যখনই তাড়া এব্যাপারে বলতে চায় তাদের চুপ করিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেলিব্রেটিরা এব্যাপারে প্রাই চুপ, তাই যখন কেও মুখ খলে আমরা অবাক হই।

খবরের কাগজে “মিসেস ফানি বোনস” নামের তার কলামএ তিনি ইদানীং লেখেন এই উৎপীড়ন এর ব্যাপারে। তাকে কি ভাবে নির্যাতন সহ্য করতে হয়, যদিও তিনি ভারতের প্রায় সবচেয়ে বিখ্যাত আভিনেতার স্ত্রী।

“কিছু বছর আগে, আমার ফোনের এক মেসেজ আমাকে কাঁদিয়ে ফেলে। আমি বহু মাসের চেষ্টার পর ভেঙ্গে পড়েছিলাম। এক ভীষণ সমৃদ্ধশালি ক্লায়েন্ট আমাকে বেশ কয়েক মাষ ধরে ইঙ্গিতপূর্ণ মেসেজ পাঠাচ্ছিল, এবং না বোঝার ভান করছিলাম, কারণ আমি চাইছিলাম কাজটা প্রফেশানালি শেষ করতে,” বলেন টুইংকেল।

টুইংকেল বলেন যে তিনিও নির্যাতন থেকে ছাড় পাননি, যদিও তার স্বামী এক অভিনেতা যে প্রায়ই সুপার হিরো ধরনের চরিত্র করেন, তিনি একথা ভেবে অবাক হন যে আমাদের দেশের এক সাধারণ মহিলার জন্য পরিবেশ কতটা খারাপ।

 

এই সব উৎপীড়ক দের তিনি এক বার্তা দেন, যারা মনে করে মহিলারা শুধু মাত্র তাদের সম্পত্তি।

“তাকে মর্যাদা পূর্ণ ভাবে ড্রিঙ্কের জন্য আমন্ত্রণ করুন, আর সে যদি যেতে না চায়, তবে সেই ড্রিঙ্কেই আপনার দুঃখকে ডুবিয়ে দিন এবং তাকে একা ছেড়ে দিন। তাকে অনুসরণ করবেন না, তাকে ছোবার চেষ্টাও করবেন না, তাকে নোংরা মেসেজ পাঠানোরও কোন মানে হয় না।  তার প্রশংসাই যদি করতে চান, তাকে বলুন তার প্রেজেন্টেশান স্কিল ভাল, বলুন সে কাজে কত উন্নত এবং সে কত সুন্দর ভাবে মধ্যস্থতা করতে পারে। একজন মহিলাকে বেডরুমে ‘সেক্সি” বলা চলে কিন্তু বোর্ডরুমে তা বলা নিন্দনীয়। তাই ব্যাঙের মত গোঙানর আগে ভাবুন, নাহলে এর পর আপনাকে ফরম্যালডিহাইডে চুবিয়ে ব্যবচ্ছেদ করা হবে”। তিনি লেখেন তার কলামে।

আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে নির্যাতিত হন 

আমরা জানি টুইংকেল চুপ করে থাকার মানুষ নন এবং চিরকালই স্পষ্টবক্তা এবং অপরকে চুপ করাতে জানেন। কিন্তু তিনি এবার সবাই কে জানান যে চুপ করে থাকার কোনও মানে হয় না।

এই খানে দেওয়া রইল কিছু দরকারি কথা যা মনে রাখা দরকার যদি আপনি কর্মক্ষেত্রে নির্যাতিত।

১। সবকিছু নথিবন্ধ করুন। আপনি যখন আপানর এইচ আর এর সাথে কথা বলবেন তাকে প্রমান দিতে হবে। সব প্রমান সাথে রাখুন এবং তার ব্যাক আপ ও।

২। শুধুমাত্র আপনার প্রিয় বন্ধুকে এই ব্যাপারে জানিয়ে লাভ নেই। কর্তৃপক্ষকে জানান এবং তাড়া যদি কিছু না করে তবে উকিলের সাথে কথা বলুন। আর সবকিছু লেখা পড়া করে করবেন যাতে প্রমান থাকে যে আপনি প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছেন।

৩। চাকরি ছাড়বেন না, যদি না আপনি একদমই পেড়ে উথছেন না। চুপ থাকলে এরা আরও আশকারা পাবে অনান্য মহিলাদের বিরক্ত করতে।