কখন আমার বাচ্চা একটুখানি ঘুমিয়ে নেওয়া বন্ধ করবে?

lead image

যেখানে কিছু বাচ্চারা প্রথম দিন থেকেই একটুখানি ঘুমিয়ে নেওয়া বন্ধ করে দিতে পারে, সেখানে অন্যরা ধীরে ধীরে কম করার পথে চলে, সপ্তাহে বার দুই-তিন দিনের বেলার ঘুম বাদ দিতে পারে।

ভাবছেন কতদিনে আপনার বাচ্চা এই যখন তখন ঘুম বন্ধ করবে? আর সব ভাল জিনিষের মতো, আপনার শিশুর এই মূল্যবান কিছুক্ষণের ঘুমও একদিন শেষ হয়ে যাবে। যখনই সে ২ বছরে পা দেবে, আপনি দেখবেন যে হঠাৎ তার খুব কম বিশ্রামের প্রয়োজন হচ্ছে, এবং প্রায়ই তার সকালের ঝিমুনি আর দেখা যাচ্ছে না।

এই বয়সে, সে কেবল দুপুরের পর গুরুত্বের সঙ্গে খানিকটা ঘুমিয়ে নিতে পারে এবং বাকী পুরো দিনটি নিজেকে

প্রবল শক্তিতে সক্রিয় রাখে।

কিছু বাচ্চারা ৩ বছরে পা দিয়েই দিনের ঘুম পুরোপুরি বন্ধ করে, যদিও অন্যরা ৫ বা ৬ বছর বয়স পর্যন্ত দিনে এক বা দু'বার ঘুমে নিমগ্ন হতে পারে।

 

শিশুদের দিনের ঘুম : আপনা্র যা যা জানা দরকার

যদিও কিছু কিছু মায়েরা চান যে তাঁদের বাচ্চাদের দিনের ঘুম চলতে থাকুক যাতে তাঁরা বিকেল বেলা কিছুটা বিরতি নিতে পারেন, আবার অন্য মায়েরা চান যে তাঁদের বাচ্চাদের এটা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে চান,  যাতে তারা আগে ঘুমায় এবং পুরো রাত ভালভাবে ঘুমিয়ে থাকে।

কিন্তু শিশুদের দিনের ঘুমের নানা উপকারিতা আছে।

src=https://bengali admin.theindusparent.com/wp content/uploads/sites/14/2017/11/sleeping child.jpg কখন আমার বাচ্চা একটুখানি ঘুমিয়ে নেওয়া বন্ধ করবে?

বেশী ঘুম আপনার বাচ্চার বেড়ে ওঠা এবং পুনঃশক্তিসঞ্চারের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ ছাড়াও, ঘুম শিশুদের আরও সচেতন হতে সাহায্য করে আর এতে তারা কম উদ্বিগ্ন বোধ করে।

 

শিশুদের দিনের ঘুমের উপকারিতা কি?

  • এই ঘুম মানসিক বিকাশে সাহায্য করে। যে শিশুরা দিনের বেলায় বিশ্রাম করে না এবং তাদের ঘুমের চক্রটি সম্পূর্ণ হয় না, তারা চাপ এবং উদ্বেগপ্রবণ হয়। এটি তাদের জ্ঞান আহরণের দক্ষতা (সমস্যা সমাধান করার দক্ষতা) হ্রাস করে।

কয়েকটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, "দিনে না ঘুমানোর ফলে অপর্যাপ্ত ঘুম শিশুদের বিভিন্ন অনুভূতি প্রকাশের উপায়গুলিকে ব্যাহত করে।"

  • দিনের ঘুম শিশুদের স্কুলপূর্ব শিক্ষার জন্য প্রস্তুত করে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ কর্তৃক একটি গবেষণায় দিনের ঘুম এবং স্মৃতিশক্তির মধ্যে সম্পর্ক পরীক্ষা করা হয়।

গবেষকরা দেখিয়েছেন যে যারা দিনে ঘুমায়, স্কুলপূর্ব জীবনে তাদের স্মৃতিশক্তি এবং শেখার ক্ষমতা ভালো হয়।

  • দিনের মধ্যে ঘুমালে রাতে রাতে ঘুম সহজ হয়। প্রাপ্তবয়স্ক হিসাবে আমাদের দিনে  ৮-৯ ঘন্টার বেশি ঘুমের প্রয়োজন নেই, তাই দিনে ঘুমালে আমাদের রাতে ঘুম আসা কঠিন হয়।

কিন্তু বাচ্চাদের কথা আলাদা। তাদের ১৪ ঘন্টার বেশি ঘুম দরকার। দিনে ঘুমালেই তাদের এই চক্র সম্পূর্ণ হয়। যদি তারা যথেষ্ট ঘুমাতে অক্ষম হয়, তারা খিটখিটে, মাত্রাতিরিক্ত উদবেগপ্রবণ হয়ে ওঠে এবং রাতে

দেরীতে ঘুম পায়।

  • দিনে ঘুম আপনার বাচ্চাদের বিরতি দেয়। ঠিক যেমন অফিসের কার্যকালের পর বিশ্রাম করার জন্য কিছুটা সময় আমাদের প্রয়োজন হয়, আমাদের শিশুদের এবং স্কুলপূর্ব বাচ্চাদের দিনের মধ্যে কিছুটা বিরতি প্রয়োজন।

এটা কল্পনার রাজ্যে তাদের কাজ করার জন্য সময় দেয়, তাদের শরীরকে স্নিগ্ধ করে দেয়, এবং তাদের সুখী রাখে।

  • দিনে ঘুম শিশুদের দুর্বার ক্রোধ প্রশমিত করে। একটি পূর্ণ বিশ্রামপ্রাপ্ত শিশু আনন্দিত এবং আরও সক্রিয় থাকে। সে অনেক রাগও দেখাবে না।

পুনঃশক্তিসঞ্চারিত শিশুরা কাঁদছে বা সুপারমার্কেটের মেঝেতে গড়াগড়ি দিয়ে চেঁচাচ্ছে, এমন দৃশ্য দেখার সম্ভাবনা অনেক কম। বরং, যদি আপনার বাচ্চা দিনের ঘুমটি ঘুমাতে না পেয়ে থাকে তবে সে খিটখিটে হয়ে পড়তে পারে।

src=https://bengali admin.theindusparent.com/wp content/uploads/sites/14/2017/06/3 1.jpg কখন আমার বাচ্চা একটুখানি ঘুমিয়ে নেওয়া বন্ধ করবে?

যদিও দিনের বেলায় ঘুম আপনার সন্তানের বেড়ে ওঠা এবং বিকাশে সাহায্য করতে পারে, তবু এতে কিছু বিপরীত ফল দেখা দিতে পারে এবং এমনকি কিছু অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যাও হতে পারে।

 

শিশুরা দিনের দিনে ঘুমালে কি কি বিপরীত ফল দেখা দিতে পারে?

  • রাতের ঘুমানোর সময় বিলম্বিত হয়। যদি আপনার বাচ্চাটি দিনে যতটা ঘুমানো উচিত তার চেয়েও বেশি সময় ঘুমিয়ে থাকে, তাহলে তার রাতের ঘুম দেরীতে আসবে।

সে আরো দীর্ঘ সময় ধরে খেলতে চাইতে পারে এবং দেরী করে বিছানাতে যেতে পারে। চক্রটি যত এগোবে, তার রাতের ঘুম বিলম্বিত হবে।

  • অত্যধিক দিনে ঘুম আপনার বাচ্চাকে অলস করে তোলে। যদি আপনার বাচ্চা দিনে খুব বেশী ঘুমিয়ে নেয়, তাহলে সে আলস্য এবং অবসন্ন বোধ করতে পারে।

খুব বেশি ঘুম অল্পবয়স্ক শিশুদের মধ্যে স্থূলতার সম্ভাবনা নিয়ে আসতে পারে। সেজন্য তাদের সবসময় শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হয়।

  • দিনে বেশী ঘুম একটি স্বাস্থ্য সমস্যারও ইঙ্গিত হতে পারে। যদি দেখেন যে আপনার বাচ্চাকে সারাদিন ধরে ঘুমিয়ে থাকছে এবং ঘুম থেকে উঠার পরও আবার শুয়ে পড়তে চাইছে, তাহলে এটি একটি অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।

আপনি যদি আপনার বাচ্চাকে সব সময় বিছানায় দেখেন তবে আপনাকে অবশ্যই আপনার ডাক্তারের  পরামর্শ নিতে হবে।

এবার, যদি আপনার বাচ্চা আদৌ ঘুমাতে না চায়? আপনি কিভাবে সে সমস্যার সমাধান করবেন? এরকম পরিস্থিতিতে বিষয়টি আপনার নিজের হাতে নিয়ে নিতে হবে এবং বাড়িতে দিনে ঘুমানোর মতো একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

বাচ্চাদের দিনের বেলা ঘুমাতে উৎসাহিত করার জন্য মায়েদের কি কি করা উচিত?

যদি আপনার বাচ্চা রাত্রে ১১/১২ ঘন্টাও না ঘুমায়, তাহলে অবশ্যই তাকে তার ঘুম পুরো করার জন্য দিনের বেলা ঘুমাতে উৎসাহিত করা উচিত।

এই বয়সে বাচ্চারা সাধারণত তাদের চারপাশে থাকা সবকিছুই আবিষ্কার করায় প্রচণ্ড উত্তেজিত থাকে। তাই তারা চায় না যে কোনোকিছু ছেড়ে যাক, আর তাদের ঘুমে ঘন ঘন ব্যাঘাত হয়। তার ফলে তারা পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ে।

কিভাবে আপনার বাচ্চাকে দিনে ঘুম পাড়াবেন, এখানে দেওয়া হল :

জায়গা চেনানো। যদি আপনার সারাদিন আপনার সঙ্গে বাড়িতেই থাকে, তাকে ঘুম পাড়ানোর জন্য সেইখানেই শোয়ান, যেখানে সে রাতে ঘুমায়।

যেহেতু সে ওই জায়গাটিকে ঘুমানোর জায়গা বলে চিনে গেছে, সেইহেতু ঠিক ওই জায়গাটিতেই দিনেও ঘুমানো তার পক্ষে সহজ হবে।

সপ্তাহান্তের ধা্রাবাহিকতা। যদি আপনার বাচ্চা কোনও প্রি-স্কুলে যায় এবং সেখানে একটা খেলনার সঙ্গে ঘুমাতে পছন্দ করে, তাহলে বাড়িতেও একই ভাবে ঘুমের চক্রটা বজায় রাখা উচিত।

ঠিক ওই সময়ে, ওই খেলনার সঙ্গেই ঘুম পাড়াবেন যাতে সে সহজেই ঘুমিয়ে পড়তে পারে।

  • ঘুমের গুরুত্ব জানান। যদি আপনার বাচ্চা ৪ বছরের কম বয়সী হয় এবং দিনে না ঘুমায়, তাহলে তাকে যুক্তি দিন এবং ঘুমের গুরুত্ব বোঝান।

আপনি তাকে আরও জানাতে পারেন যে ঘুমের পর সে খেলার জন্য আরও সক্রিয় হয়ে উঠবে।

  • ঠিক রাতের মতো একই রুটিন করুন। দিনের বেলায় আপনার বাচ্চাকে ঘুম পাড়াবার জন্য আপনি ঠিক রাতের মতো একটি রুটিন প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করতে পারেন।

উদাহরণস্বরূপ, তাকে ঘুম পাড়াবার জন্য একটি গল্প শোনান, হালকা আলো রাখুন এবং ধীরভাবে রুম ছেড়ে বেরিয়ে যান, যাতে সে নিজে নিজেই ঘুমিয়ে পড়তে পারে।

  • প্রতিদিন নিয়মিত বিছানার দিকে চালনা করুন। রুটিন অনুযায়ী দিনের বেলায় ঘুম পাড়ান। যদি তাকে গল্প শুনিয়ে দিয়েছেন এবং তার ঘুমানোটা সম্পূর্ণ করতে চান, তাকে এদিক ওদিক খেলে বেড়িয়ে সময় নষ্ট করতে দেবেন না। তাকে বিছানায় নিয়ে গিয়ে ঘুমাতে উৎসাহিত করুন।

 

যদি এই কায়দাগুলির মধ্যে একটিও আপনার বাচ্চার ক্ষেত্রে কাজ না করে, তাহলে সে হয়তো দিনে না ঘুমানোর মতো বড় হয়ে গেছে। নিয়মমতো, দিনের ঘুম একটি আনন্দদায়ক আরামের সময় হওয়া         উচিত এবং একটি প্রাণান্তকর সংঘর্ষে পরিণত হওয়া উচিত নয়।

সময়কে নিজের প্রবাহ নিতে দেওয়া উচিত। জানুন, কখন দিনে ঘুমানোর জন্য বাচ্চাকে আর জোর করা উচিত নয়।

আমি কিভাবে জানব যে আমার বাচ্চা এবার দিনের ঘুম বন্ধ করবে?

যদি আপনার বাচ্চা দিনে ঘুমানোর সময় আর সহযোগিতা না করে, তাহলে হয়তো সে সারাদিন জেগে থাকার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে। এই লক্ষণগুলির প্রতি নজর রাখুন :

  • বাচ্চাটি ঘুমাতে অনেক সময় নিচ্ছে। এটি একটি উচ্চাঙ্গের লক্ষণ যে আপনার বাচ্চা দিনে ঘুমানো বন্ধ করার জন্য প্রস্তুত।  সে যেমন যেমন বড় হবে, তার দিনের ঘুমের প্রয়োজন নিজের থেকেই কমতে থাকবে।

এছাড়া, তার অণ্বেষা তাকে সারাদিন কর্মব্যস্ত ও কর্মক্ষম রাখবে। তাই, যদি ক'দিন আগেও সে সাড়ে বারোটার সময় ঘুমিয়ে পড়ত অথচ এখন আর ঘুমাচ্ছে না, তাকে জোর করবেন না।

  • আপনার বাচ্চা রাত্রে ঘুমাতে বেশী সময় নিচ্ছে। যদি আপনার বাচ্চা দিনে না ঘুমাতে চায় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তার ঘুমাতে দেরী হবে। তাই, মনে করুন, আপনি তাকে দেড়টার সময় ঘুম পাড়াতে নিয়ে গেলেন আর সে ঘুমাল তিনটের সময়, তাহলে স্বাভাবতই সে দেরীতে উঠবে।

এর ফলে নিজে থেকেই তার তার রাতে ঘুমানোর সময় বিলম্বিত হবে। তাই যদি সে দিনে ঘুমাতে না চায়, জোর করবেন না কারণ এর ফলে তার রাত্রের ঘুম বিঘ্নিত হবে।

  • আপনার বাচ্চা ক্লান্তির কোনও লক্ষণ দেখাচ্ছে না। যদি আপনার বাচ্চাটি দিনে ঘুমানো বন্ধ করে দেবার পরও দিনের বেলায় ক্লান্ত না হচ্ছে, চিন্তার কিছু নেই। এটি ভাল লক্ষণ কারণ এর মানে সে দিনে ঘুমানোর পথ থেকে সরে আসার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত হয়ে গেছে।

আপনার বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে দিনের ঘুম থেকে মুক্ত হতেই পারে। বাচ্চার বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন ঘুমের প্রয়োজন অনুযায়ী ঘুমানোর সময়ে পার্থক্য দখা যায়।

আমার বাচ্চার দিনে ক'ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন?

২৪ ঘন্টার একটি চক্রে বাচ্চাদের সাধারণত ১১ থেকে ১৪ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। এখানে ২ থেকে ৮ বছরের শিশুদের জন্য এক আদর্শ নিদ্রাচক্র দেওয়া হল।

 

  • ২ এবং ৩ বছরের শিশু : ১-৩ ঘন্টার দিনে ঘুম সহ মোট ১১-১৪ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।
  • ৪ এবং ৫ বছরের শিশু : ০-২.৫ ঘন্টার দিনে ঘুম সহ মোট ১০-১৩ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।
  •  -  ৮ বছরের শিশু  : দিনে না ঘুমিয়ে মোট ৯-১১ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।

 

বেশীরভাগ ছেলেমেয়ে ৫ বছর বয়সে দিনের বেলায় ঘুমানো বন্ধ করে দেয়। তাছাড়া, দিনের বেলায় আপনার বাচ্ছা কতক্ষণ ঘুমাতে চাইবে, সেটাত্রে সে রাত্রে কতক্ষণ ঘুমাচ্ছে, তার ওপরও নির্ভর করে। (যদিও কিছু শিশু রাত্রে যথেষ্ট ঘুমালেও দিনের বেলায় খানিক ঘুমিয়ে নিতে চায়)।

যাইহোক, আপনার বাচ্চা দিনের বেলায় ঘুমানো একেবারে ছেড়ে দেবার পর যদি আবার শুরু করে, ভয়ের কিছু নেই। সে স্কুল যাওয়া শুরু করলে আর তার দিনের বেলার কর্মকাণ্ড হঠাৎ বেড়ে গেলে এমনটা হতে পারে।

আপনি নিজেকে উভয় পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুত রাখুন, কিন্তু জেনে রাখুন যে এক সময় আপনার বাচ্চা দিনের ঘুম একেবারে পরিত্যাগ করবেই। এই ব্যাপারটা কিছু বাচ্চার ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি হয় আর কিছু বাচ্চার ক্ষেত্রে দেরীতে। তাই সময়কে তার নিজের গতিপথ স্থির করতে দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।

যখন আপনার বাচ্চা দিনে ঘুমানো ছেড়ে দেবে তখন নিজেকে কিভাবে প্রস্তুত করবেন?

প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে যে প্রতিটি শিশুই আলাদা এবং তাদের বড় হবার বিভিন্ন পর্যায়ও অন্য শিশুর থেকে আলাদা হবে। কিছু বাচ্চা প্রথন দিন থেকেই দিনে না ঘুমাতে পারে আবার অন্যেরা ধীরে ধীরে ছাড়তে পারে -- সপ্তাহে দু'তিনবার দিনে না ঘুমাতে পারে।

আবার, এটাও জরুরী যে আপনি আপনার বাচ্চার ঘুমানো -- না ঘুমানোর ইচ্ছেটাকে সম্মান করবেন এবং জোর করে দিনের বেলায় ঘুমাতে বাধ্য করবেন না। মনে রাখবেন, যদি সে দিনে ঘুমাতে না চায়, আপনি তাকে রা্ত্রে তাড়াতাড়ি বিছানায় নিয়ে গিয়ে ঘুম পাড়াতে পারেন, যাতে সে যথেষ্ট বিশ্রাম পায়।

উৎস : babysleepsite, babycenter

(সব ছবির সৌজন্য : Pixabay)

theAsianParent Singapore এর অনুমতিক্রমে পুনঃপ্রকাশিত