অবিশ্বাস্য! অজয় দেবগন স্ত্রী কাজল কে পার্টিতে এই কারনে ধমক দেন

lead image

কাজলের এই স্বভাব স্বামী অজয়কে এতোই বিরক্ত করে, যে তিনি পার্টিতে তাকে ধমক দেন!

যে ইন্ডাস্ট্রিতে লোকেরা মিথ্যা প্রশংসায় উন্নতি লাভ করে, সেখানে অভিনেত্রী মা কাজল যেন এক তাজা বাতাস। তিনি এক স্পষ্ট বক্তা, সততা শুধু মাত্র তার কলা তেই নেই, দৈনন্দিন জীবনেও তিনি কখনই মিথ্যার আশ্রয় নেন না।

তার মন্ত্র হল সততা এবং স্পষ্ট কথা, যা তিনি তার মেয়ে নাইসা কেউ শেখান।

কিন্তু এই “সততা” অনেক সময় তাকে ঝামেলায় ফেলে, বিশেষ করে স্বামী অজয় দেবগনের কাছে। হ্যাঁ, আপনি ঠিক পড়লেন।

দিলওয়ালের এই অভিনেত্রী জানালেন, তার সত ব্যাক্তিত তার স্বামিরর সাথে ঝামেলার কারন কেন।

 

A post shared by Kajol Devgan (@kajol) on

“অজয় আমাকে প্রায়ই ঝাড় দেয়”

এক খবরের কাগজের সাক্ষাৎকারে কাজল জানান তার এই স্পষ্ট কথাবার্তা অনেক সময় তার স্বামীকে বিপদে ফেলে এবং তিনি বাড়ি এসে তাকে বকুনি দেন। তিনি জানান, সততার এক মূল্য আছে।

“অনেক দামী। অজয় আমাকে প্রায় রোজ বকুনি দেয়। আমি কূটনীতিতে পারদর্শী নই, এবং এই কারনে আমার স্বামী অনেকবার ইন্ডাস্ট্রিতে ঝামেলায় পড়েছে। পার্টীতে সে আমাকে এই ধরনের কথা বলতে বারন করে। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমি সবসময় ভাল কথা বলি, সেরা অভিপ্রায় মনে রেখে। আমার কপাল ভাল লোকে আমাকে সহজেই ক্ষমা করে দেয়। মেপে কথা বলা এক কঠিন কাজ। আমি ভুলে যাব, আমি কি মিথ্যে কথা বলেছি,” তিনি জানান।

এই ৪২ বছরের মা বলেন যে, সবাই যদিও ভাবে আমি বদলাইনি এবং সব সময় স্পষ্ট কথা বলি, এটা একেবারে সঠিক নয়।

এবং তার কারন আমার বিবাহ।

 

A post shared by KAJOL DEVGAN (@queenkajolturkey) on

তিনি বলেন, “বয়ের পর আমাদের অগ্রাধিকার বদলে যায়। সামাজিক ভাবে এবং ব্যাক্তিগত ভাবেও, আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। এই দেশে, এক পুরুশকে বিয়ে করাই যথেষ্ট নয়। আপনি তার পুরো পরিবারকে বিয়ে করেন। জীবনের প্রতি আমার মনোভাব বিয়ের পর বদলে গেছে। আমি সেটা স্বীকার করে নি। পুরুষ দেরও তাদের ভাগের ঝঞ্ঝাট পোয়াতে হয় খাপ খাওয়ানোর জন্য”।  

“মহিলাদের ক্যারিয়ারের ব্যাপারে একটু বেশী ভারসাম্য রেখে দেখতে হয়”

দুই সন্তানের মা এও জানান যে বিয়ের পর ক্যারিয়ার কীভাবে বদলে যায়।

“ক্যারিয়ারের ব্যাপারে মেয়েদের বেশী ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। ভারতে, অভিনেত্রীদের বয়ের পর অন্য চোখে দেখা হয়। বিয়ের পর তার আবেদন জনতার কাছে কমে যায়। কারন সে “বিবাহিত”।

 

A post shared by Kajol Devgan (@kajol) on

দুর্ভাগ্যবশত, এই অসুবিধে শুধু গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রির মহিলাদের সহ্য করতে হয় টা নয়, কিন্তু সব ক্ষেত্রেই। বিশেষত সন্তানের জন্মের পর চাকরি করা অনেক সময়ই কঠিন।

তবুও, যেমন কাজল বলেন সমন্বয় ও ভারসাম্য মাথায় রাখলে অসম্ভব কেও সাধন করা যায়, কাজে এবং বাড়িতেও।

বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কর্মরত মায়েরা সেটা ভাল ভাবেই পারেন। এবং মজাদার ব্যাপার, রিসার্চের মতে চাকরি করা মায়ের প্রভাব সন্তানের ওপর ভাল।

কর্মরত মা থাকার ৩টে ভাল প্রভাব

  • তারা পজিটিভ রোল মডেল – চাকরি করা মায়েরা তাদের বাচ্চাদের রোল মডেল, এবং তারা শেখান সময় পরিচালনা এবং মাল্টি টাস্কিং। টাই মা চাকরি করলে মেয়েরা বোঝে ক্যরিয়ার তৈরি করা এবং ছেলেরা বোঝে যে বাড়িতেও তাদের একটা দায়িত্ব আছে।
  • তাদের সন্তানরা স্বাধীন চেতা হয় – যখন বাচ্চারা তাদের মায়েদের দেখে কাজ করতে এবং অফিস এবং ঘর দুই সামলাতে, তারা বোঝে আত্ম নির্ভরশীল হওয়া। এই বাচ্চারা বড় হয়ে বেশী স্বাধীন চেতা হয়।
  • এরা এমন সন্তান বড় করে যারা পড়াশোনা করতে চায় – রিসার্চ এ দেখা গেছে যে চাকরি করা মায়েদের সন্তানরা পরাশনায় ভাল হয় কারন তারা সময় পরিচালনা ঠিক মত করতে পারে। চাকরি করা মায়েরা তাদের সন্তানদের পড়াশোনা করার উপকারিতা বোঝাতে বেশী সক্ষম।

Written by

debolina

app info
get app banner